Saturday, November 3, 2018

দুগ্গা তোর দাম কতো

কয়েক কোটি টাকার গয়না পড়া দূর্গা ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলাম। গরমে ঘেমে নেয়ে ঘন্টা তিনেক দাড়িয়ে দাড়িয়ে পায়ের দফারফা করে রাত বারোটা বেজে দশ মিনিটে যখন ভিতরে ঢুকলাম, শত শত বিনে পয়সার মোবাইল ক্যামেরায় চিত্র শিকারীদের দাপটে মা কে ভালো করে দেখার সুযোগও পেলাম না...(পেন্নাম করা তো দুরের কথা, যদিও মোবাইল ক্যামেরা হাতে আসার পর এখন আর কেউই পেন্নাম করে না, সব গুলি ছবিই বাড়িতে এনে তারপর বোধহয় একসঙ্গে পেন্নাম সেরে নেয় ) এককথায় গলা ধাক্কা না দিয়ে কতৃপক্ষ বের করে দিলো....বাইরে এসে দেখতে পেলাম আসল দুগ্গা ঠাকুর...

পথের ধারে ছেড়া ফাঁটা শাড়ি পড়ে এক মা তার কোলের (হয়ত পিতৃ পরিচয় হীন) শিশুকে আগলে নিয়ে ভিক্ষের বাটি পাশে রেখে অঘোরে ঘুমিয়ে আছে (হয়ত আধ পেটা খেয়ে)...। পেছন ফিরে চেয়ে দেখলাম কোটি টাকার দামি প্যান্ডেল টা...চোখ বুজে মনে করার চেষ্টা করলাম কোটি টাকার গয়না পরিহিত মাতৃ প্রতিমাটিকে .....মনে মনে প্রশ্ন করলাম .....দুগ্গা তুই কি সত্যিই অনেক দামী....?

রাত অনেক... এবার বাড়ি ফিরবো....পথের ধারে দাঁড়িয়ে আছি যদি কোন ট্যাক্সি পাই...একটু দূরেই একটি অপূর্ব সুন্দরী (ঠিক যেন দূর্গা ঠাকুর) তরুনী একটি ত্রিফলা লাইটের নীচে দাঁড়িয়ে তার আরেক সঙ্গিনী কে বলছে...."আজকেও যদি একজন খদ্দেরও না পাই তাহলে আর কাল ছেলেটার ওষুধ কিনতে পারবো না রে...মা দুগ্গা কে সকাল থেকেই মনে মনে বলছি আজ অন্তত একটা খদ্দের জুটিও মা...."

এমন সময়ই একটা কালো কাঁচের গাড়ি এসে থামল তার সামনে...গাড়ি তে প্রবল স্বরে উন্মাদ নৃত্যের গান চলছে...একটি কালো কাঁচ নামিয়ে একজন অসুর বিশিষ্ট পুরুষ জিজ্ঞেস করলেন-" কিরে! রেট কত...এখন? পুজোর বাজারে ডবল দেব....চারজন আছি...আসবি নাকি?....। মেয়েটি নিঃশব্দে মাথা নাড়িয়ে উঠে গেলো গাড়ি তে...।যাওয়ার আগে তার সঙ্গের সঙ্গিনীটিকে ফিসফিসিয়ে বলে গেল " দেখেছিস তো মা দুগ্গা আমার কথা শুনেছে...হোক না চারজন... মা দুগ্গা আছে তো....কাল ছেলেটার ওষুধের ব্যবস্থা ঠিক করে দিয়েছে ...।"

আমি আর ফেলে আসা প্যান্ডেল টার দিকে এবার তাকাইনি... কোটি টাকার গয়না পরিহিত মাতৃ প্রতিমাটিকেও আর মনে করিনি....দেখলাম কালো কাঁচের গাড়ি টা আমার দেখা দূর্গা ঠাকুরটিকে নিয়ে চলে গেল.... আসতে আসতে নজরের বাইরে যেতে যেতে অন্ধকার রাস্তায় হারিয়ে গেলো....আমি ঝাপসা চোখে তাকিয়ে কেন জানিনা নিজেই হঠাৎ করে বলে উঠলাম

- দুগ্গা তোর দাম কতো? 

Nispolok Naam...... Koto Je Holo Rup Kothar Naam

                                                                                       তুই কি সব সময় এমনি থাকবি ? !!
 - কেমন ?           
 :- কেয়ারলেস
 - আমি কেয়ারলেসএইটা বলতে পারলি ?
 :- তো কি ?
 কেয়ারলেসকে ,কেয়ারলেস বলবনা তো কি বলবো…??
 - বল আমি কি তোর কেয়ার করি না ?
 :- আমি কি আমার কথা বলছি ?
 তুই নিজের কেয়ার নিস না কেন শৈশব?
 ঠিক মত ঘুমাস না রাতেখাওয়া দাওয়া করিস না নিয়মিত,
 চেহারার কি অবস্থা বানাইছোস ?
 - সেটা বলএতো কেয়ার নিয়ে কি হবে ?
 একদিন তো ঠিকই মরে যাবো
 :-শৈশবএকটু বেশী হয়ে যাচ্ছে না ?
 কথায় কথায় মরার কথা বলিস কেন ?
 জানিস না এইগুলা বললে আমার খারাপ লাগে
 - আচ্ছা মুনা একটা কথা বলি রাগ করিস না প্লীজশুধু উত্তর দিবি
 :- বল… !!!
 - আমি যদি মরে যাই তাহলে তুই কি একটুও কান্না করবি
 :- না করবো নাতুই কে আমার…?? :’(
শৈশব প্লীজ এমন বলিস নাআমি সত্যি মরে যাবো… :’(
 তুই বুঝিস না আমি তোকে কতটা ভালোবাসি ?
 নাকি বুঝেও আমায় কষ্ট দিস…??
 - বন্ধুকে ভালো না বাসলে কাকে বাসবি…??
 :- বন্ধুর থেকে বেশী আমি তোকে ভালোবাসি
 - কেন বাসিস ?
 আমি তো তোকে শুধু বন্ধু মনে করি
 :- প্লীজ এভাবে বলিস না,
 আমি জানি তুইও আমাকে ভালোবাসিস
 - না বাসি নাএটা তোর ভুল ধারনা
 আচ্ছা আমি যাইআর হয়তো কথা হবে না,
 কাউকে মিথ্যা আশা দিতে পারবো না আমি,
 :- আচ্ছা ভালোবাসতে হবে না,
 বন্ধুটাকে রেখে কোথায় যাচ্ছিস ??
 বন্ধুত্বটা তো শেষ হয় নি...
 - না এটা লাগবে না,
 শুধু শুধু মায়া বাড়ানোর দরকার নেই,
 বাই ভালো থাকিস,

 ..…… এভাবে কাব্যর চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে থাকে মুনা,
 কিভাবে এত সহজে সব কিছু শেষ করে দিলো,
 সেটা ভেবেই অঝরে কেঁদে যাচ্ছে মুনা
 আধরা জানেও না কেনশৈশবএমন করলো,
 হঠাত করে তোশৈশবএমন করার কথা না,
 বেচেঁ থাকাটা এখন অর্থহীন মনে হচ্ছে মুনার কাছে

 ......কিছুদিন পরশৈশবহসপিটালে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে,
 মুনা পাশে বসে ওর মায়া ভরা মুখটা দেখছে আর কাঁদছে...

 - কিরে কাঁদছিস কেন ?
 :- যখন তুই এভাবে আমায় দূরে ঠেলে দিয়েছিলি তখনই বুঝছি আমারশৈশবতো এমন না
 তুই কেন এমন করলি ?
 -আমার ব্রেন টিউমার লাস্ট স্টেজ,
 এটা বললে তুই কষ্ট পেতি,
 তাই তোর কাছ থেকে দূরে থেকে কিছুটা পিছুটান কমাতে চেয়েছিলাম
 পারলাম কই ?
 :-শৈশবজীবনের শেষ কয়টা দিন আমায় সাথে রাখলি না ?
 - এই চিঠিটা রাখ
 আমি যেদিন থাকবো না সেদিন পড়বি এটা
 :- ***** :’( :’( :’(

 ..…… আজ বাহিরে অনেক বৃষ্টি হচ্ছে,
 সাথে যেন সঙ্গী হয়েছে মুনার চোখের পানি
শৈশবনেই ভাবতেই কষ্টের পাহাড় বুকে চেপে বসে যায়...
 হাতে কাব্যর চিঠি
 অনেকবার পড়েছে চিঠিটা,
 যতবার পড়েছে ততই অঝর ধারায় কেঁদে যাচ্ছে মেয়েটা...

 ......চিঠিতে শুধু দুটি লাইন লেখা
 আধরা...
 পৃথিবীতে যদি আরেকবার আসার সুযোগ হয় তখন তোকে নিয়ে বাচবো,আনেক বাচতে ইচ্ছে করছে তোকেনিয়ে.…
 ভালোবাসি তোকে প্রিয়তমমেষু

 মুনার চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে
 নিঃশ্বাস নিতে অনেক কষ্ট হচ্ছে
 তারপরও অনেক ভালো লাগছে যে কাব্যর কাছে যাচ্ছে
 বেচেঁ থাকাটাকে অর্থহীন করে দিয়ে,
 পার্থিব সব মায়া ত্যাগ করে মুনা চিরদিনের জন্য কাব্যর কাছে চলে গেলো....

Sunday, February 4, 2018

রওনক!! তুমি এখানে বসে কি করছো??




...রওনক পার্কে একা একা বসে আছে। অনেকদিন হলো পার্কে একা একা বসতে চেয়েও বসা হয় না। আগে খুব করে আসতো সে এখানে। প্রেমিকার মুখের মিস্টি হাসি, কোলে শুয়ে বাদাম খাওয়া। সুন্দরী মেয়ে দেখলে বন্ধুদের কারো মুখ থেকে মৃদু শব্দে 'দ্যাখ মামা মাইয়াটা কি সন্দর' এই কথা বের হওয়া।

একি রওনক হাসছে। হ্যাঁ রওনকের সেই কথাগুলো মনে পড়ে ঠোটের কোনায় হাসি পাচ্ছে। অনেক দিন হয়ে গেল রওনকের মুখ থেকে এমন হাসি পর্যন্ত কেউ দেখেনি। দেখবেই বা কিভাবে রওনক সেই যে কবে হাসি ঠাট্টা ভুলে গেছে তা আর কে জানে।
কিছুদিন হলো সে রিহ্যাব থেকে এসেছে। রিহ্যাব থেকে আসার পরে বাসায়ই বসে থাকে। আগের মত আজাইরা বিজি কাজে সে বাসা থেকে বের হয় না। এই আজ পার্কে এসেছে এটাই রিহ্যাব থেকে ফিরে প্রথম বাসা বাইরে বের হওয়া। মোবাইলটা এতদিন বন্ধ ছিলো। আজ সে মোবাইলটি সাথে করে পার্কে নিয়ে এসেছে। মোবাইলের সুইচ অন করার তীব্র ইচ্ছে হচ্ছে। ইচ্ছে করছে সিতীকে একটা কল দিতে। না!! সে মোবাইল অন করে আর সেই সাহস বুকে সঞ্চারিত করতে পারেনি। হ্যা এটাই সেই মেয়ে যার কোলে শুয়ে রওনক প্রায় বাদাম খেত, চুলের সুবাস গায়ে জড়াতো।

এই কথা ভাবতে ভাবতেই রওনকের চেহারাটা মলিন হয়ে গেল। অনেক সুন্দর চেহারা ছিলো রওনকের নেশায় আসক্ত হয়ে সবটাই নেশা খেয়ে নিয়েছে। এমনকি সিতীর সেই চিরচেনা রওনকের মুখটাও। তাইতো এখন মনে হয় সিতী ওকে চিনতেই পারে না। তা না হলে এমন প্রেম কি কেউ ভুলতে পারে!!

নাহ!! রিহ্যাব থেকে আসার পরে একটা সিগেরেট খাওয়া হয়নি। রওনক ভেবেছিলো আর সিগেরেট খাবে না কখনোই। কিন্তু সিতীর কথা মনে পড়তেই সিগেরেটটা কেমন যেন সিডাটিভের মত লাগছে এখন। এই সিতীর জন্যই তো রওনকের সিগারেটের হাতে খড়ি। রওনক প্রেম নিবেদন করলো, সিতী সরাসরি না বলে দিলো। সেই দুঃখেই তো রওনক প্রথম সিগেরেটে টান দিলো। এখনো হাতে সিগেরেট
পুড়ছে রওনককে আনন্দ দেওয়ার নিমিত্তে।

সিতী অবশ্য এই সিগেরেট খাওয়াটা পছন্দ করতো। তবে সিগেরেটের অন্তরালে এত নেশায় আসক্ত রওনক। সেই রওনককে সিতী দেখতে পায় রিহ্যাবে যাওয়ার কিছুদিন আগে। মনে মনে আজ কাদের ভাইয়ের সেই কথা দুটো খুনাক্ষরে টের পাচ্ছে রওনক। কাদের ভাই প্রায় দুইটা কথা বলতো। "যে সিগারেট খেতে পারে সে সব কিছুই খেতে পারে। আর যে মিথ্যা কথা বলতে পারে সে সব পাপই করতে পারে।" কাদের ভাই হচ্ছে রওনকের এক ফ্রেন্ডের কাছের বড়ভাই। সেই সুত্রে রওনকের সাথেও ভালোই সখ্যতা ছিলো।

সিগারেটটা হাত থেকে ফেলেই ঘুরে তাকিয়ে দেখলো কিছু পিচ্চি পিচ্চি টোকাই ছেলেরা মানুষের খাওয়া সিগেরেট মাটি থেকে তুলে আবার ধরিয়ে টানছে। এই দৃশ্য দেখে রওনকের সেই নেংটা কালের একটা কথা মনে পড়ে গেল। তখন সে খুব দুষ্টু ছিলো, একটা পিচ্চি ছেলের মাথায় পাটকেল ছুড়ে মাথা ফাটিয়ে আর বাসায় আসে না। রওনকের দাদু ওকে খোজার জন্য রাস্তায় গিয়ে দেখে রওনক রাস্তা দিয়ে ঘুরাঘুরি করছে। দাদুকে দেখেই সে কি দৌড়। তার দাদুও সাথে সাথে দৌড়াচ্ছে। পথে একটা মাঝ বয়সী লোক সিগেরেট খেতে খেতে যাচ্ছিলো। অর্ধেক সিগারেট খাওয়া হলে সে সিগারেটটা ফেলে দেয় তখন রওনক দৌড়ানো অবস্থায় সেই সিগারেট তুলে টান দিতেই সে কি কাশি। তখন আর রওনকের বয়স কত? চার কি পাচ।

হা হা হা!! রওনক এই কথা মনে করে একটু উচ্চস্বরেই হেসে দিলো। পার্কের আশেপাশে তাকিয়ে দেখছে কেউ আবারতার দিকে তাকিয়ে দেখছে কিনা। আবারও ভাবনা জগতে প্রবেশ। স্কুল শেষ কলেজে উঠেই সিগারেট খাওয়া নিয়মিত। ১৬ই ডিসেম্বর টিএসসিতে গিয়ে বন্ধুদের সাথে গাজা খাওয়া। তখন অবশ্য সে বলেছিলো এই যেই প্রথম এই যেই শেষ। কিন্তু তার বন্ধুরা বলেছিলো টিএসসিতে নাকি রওনক গাজা খেয়ে মাতাল হয়নি। তাই সে গাজার আসল মজা পায়নি। এজন্য রওনক আবারো একদিন গাজা টেষ্ট করতে ইচ্ছা পোষন করলো। এর পর থেকেই নিয়মিত গাজা খাওয়াও শুরু হলো। তখন রওনকের সময়টা আধুনিক আধুনিক টাইপের ছিলো। তাই কোন অকেশন হলেই হত রওনক ও তার বন্ধুরা মিলে সেই অকেশন বোতলে করে উদযাপন করতো এভাবে অকেশন থেকে কখন প্রফেশন হলো সেটা রওনকও বুঝতে পারেনি।

এভাবেইপাল্লায় পড়ে একসময় সিরিঞ্জে করেও ড্রাগ নেওয়া শুরু করলো। এরপর থেকে বাসায় নানান ঝামেলা শুরু হলো। এক পর্যায়ে রওনককে বকাবকি করাই থামিয়ে দিলো বাসা থেকে, কারণ কোন লাভ নাই বকাবকি করে, যা তাই!! বাসা থেকে ঠিক হলো ওকে রিহ্যাবে দিয়ে দেওয়া হবে। ততক্ষণে অবশ্য অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। সিতীও এরইমধ্যে রওনককে ছেড়ে দিয়েছে। অবশ্য রওনকেরও খুব ইচ্ছা ছিলো রিহ্যাবে থেকে ফিরে নতুন করে আবার সব কিছু শুরু করার।

আজ রওনক পার্কে বসে আছে মরণব্যাধি ক্যান্সার বহন করে। কিন্তু এটা রওনক জানে না। আসলে বাসা থেকেই জানতে দেয়নি। রিহ্যাব থেকে ফিরে আসার পরে ডাক্তারি চেকাপ করানোর জন্য রওনককে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে রিপোর্টে রওনকের বাবা মা জানতে পারে তাদের একমাত্র ছেলের ক্যান্সার হয়েছে। আর হয়তো দুমাস বাচতে পারে। রওনকের মা প্রতিদিন জলিল
সাহেবের বুকে মুখ লুকিয়ে কাদে যাতে রওনক কিছু না জানতে পারে। জলিল সাহেব হচ্ছে রওনকের বাবা। খুব কঠিন মানুষ। কিন্তু রেহানা বেগমের (রওনকের মা) সাথে তাল মিলিয়ে তিনিও প্রতিদিন কাদেন। যতই কঠোর হোক মায়ের কোল আর বাবার পিঠেই তো রওনক বড় হয়েছে।

সীতিও ক্যান্সারের ব্যাপারটা জানে না। জানলে হয়তো খুব কান্নাকাটি করতো। হয়তো দৌড়ে ছুটে আসতো রওনককে দেখতে। হয় করুনা করেই না হয় ভালোইবেসে। আবার হয়তো কোনদিন জানতেই পারলো না। অথবা একদিন মৃত্যুর খবর পেয়ে ছুটে আসলো রওনককে দেখতে। অনেক
কান্নাকাটি করলো। আবার কিছুদিন পরে ভুলেই গেল। কি জানি কি হয়!!

রওনক!! তুমি এখানে বসে কি করছো??
ইশ যদি সীতি পিছন দিক দিয়ে এসে আমার পিঠে সেই পরিচিত হাতের স্পর্শ দিয়ে ডেকে এই
কথাটা বলতো তাহলে আমি তোমাকে বলতাম।
সীতি দেখো আমি ভালো হয়ে গেছি। আমি সত্যিই আগের মত ভালো হয়ে গেছি। আমরা আবার সবকিছু নতুন করে শুরু করবো।

নাহ রওনকের আর সেই ইচ্ছা কখোনোই পুরণ হবে না। কারণ ক্যানসারের সাথে যে এখন রওনকের রিলেশন রয়েছে।

Tuesday, January 23, 2018

Dustu Misti Premer Golpo @A VERY SAD LOVE STORY

Meye ta kintu janena je oke keu dekhche . . . Ebar meye ta bari chole gelo, chele tao soja bari chole aslo. Kintu eki - chele tar mone takhono sudhui sei meyetari mukh bhese berache, se suye suye meyetar beparei bhabte thake ar bhbe abar kakhon oke dekhte pabo ? Parer din Sakal holo chele tar sudhu mone hochhe oi meye ta jeno thik oi kul gacher kache eseche, chele ta ekchut mere oi gacher kache chole gelo kintu meye ta aseni, 1 ghanta par abar mone hochhe meye ta ebar eseche, chele ta abar chole gelo kintu ebaro aseni, ebar kintu cheletar sotti sottiy meye take dekhte khubi mon korche ar to kichukhon parei oke kaje jete habe. Chele ta ar sedin meye take dekhte pelona. Tar parer dino abar bare bare oi meye takei dekhte ichha korche or. o ek chutte sei gacher kache chole gelo oi to sei meye ta ajke eseche. Dekhe to anonde or mon pran sab bhore gelo. Chele ta ebar meye tar dike direct face 2 face takalo meye ta dekhei kintu sange sange chole gelo, chele tar khub kharap laglo o ajke mon bhore meye take dekhte pelo na, tar par cheleta kaje chole gelo kintu kaje je ektuo tar bhalo lagchena sudhu bare bar oi meye takei dekhte ichha korche or, sarata din kajer moddhe meye takei bhabte bhabte din kete jai or. Ebar continue aro 3 din dekhte pelona, chele ta to ebar meye take dekhar jonno puro pagol hoye utheche, 4 diner din chele ta ar kajei gelo na. abar oi gacher kache meye take dekhte pelo, chele ta bhai pelo jodi ami or dike takai tahole o abar chole jabe sei bhebe ager matoni lukiye lukiye dekhte thaklo meye take. jatoi dekhe or jeno tatoi bhalo lege jai meye take . . Chele ta ekdin swapno dekhlo je, meye ta oi gacher gorai dariye ache ar o meye take mon, pran, chokh, hridai bhore dekhei jachhe dekhei jachhe ar o khubi khusi hochhe ar anonde jeno hridai bhore jachhe tar. Kintu Hatath kore ghum bhenge gelo cheletar takhon baje rat 2.30 am. Cheleta nijeke nije jigges kare, amar keno okei eto bhalo lage ? Keno er age amar onno kono meyeke eto bhalo lageni ? Ami ki oi meye take bhalobese felechi ? Chele kono uttor khuje paina, or atma oke jigges korche, or mon oke jigges korche, or hridai oke jigges korche keno tui oi meye tari katha eto bhabis ? Keno? keno? Keno? Takhon kintu or hridai jore jore dhuk dhuk korte legeche takhoni or hridayer bhetor theke beriye elo haaa ami oke bhalo bese felechi khubi khubi ami oke anek besi aro anek besi bhalo basbo . . . ,
Cheleta bhabe bhagoban haito oi meye take or jonnoi pathiye che, oi meye ta oke ekdin bhalo basbe . . . . . . ,
Ei bhabao ses ar ki anondo sei cheler sudhui din rat sei meyer kathai bhabe, ar anondo pai kajer moddhe sarata din, rate ghumanor samoi ardhek rattire, khete khete, sudhui ar sudhui oi meye tari katha bhebei jai ar or khubi valolage. Oh khubi anondo pai, ar oi meye ke bare bare dekhte ichhe kare or, Kakhono kakhono abar nije nijei apsap chokh diye jal beriye jai or, ei bhebe je jodi oi meye ta oke na bhalo base, jodi oi meyeta oke na pachondo kare ? Meye take ki bhabei ba propose korbe se ? Meye take to jakkhoni dekhe se, se sab kichui bhule jai, ar sudhu sudhui anondo pai, oke ki bhabei ba se tar moner bhetorer lukano eto sab filings gulo janabe. Se jodi oke propose korte jai ar oh jodi take apoman kore tariye dei tahole to se khubi besi kasto pabe, ei bhebe se khubi bhai pai ar meye take kichui bolte parena . . . .
Ei bhabei kayek mas kete gelo . . . . .
Barir abhaber jonno cheletake protidini kaj korte jetei hoto meye take dekhbar 1 ta sujog o petona cheleta, tachara meye tao barir baire khubi kam berato sei jonne meye take dekhte paoya ta tar jonno khbui asubidha janok chilo.
1 din Cheleta meyetar bepare khoj lagalo ar eta jante parlo je meye ta kauke bhalo basena eta sune cheleta khubi khusi holo
1 din cheleta 1 ta chithite tar moner bhetorer sab filings likhlo (tar sathe etao likhlo je jodi amake tomar ektukuo bhalo na lage tahole tumi amake sudhu ekbar bole dio . . .) Ar greetings card er bhetore bhore meye take diye dilo, kintu meyeta tar make sab dekhiye dilo, tar par meyetar mato rege mege bom hoye ese bechara dukhi chele take khubi apoman korlo, ar tar chithi ta oi khanei chhire phele diye chole gelo . . . . . .
Cheleta meyetar ei babohare khubi dukkho pelo ei bhebe je meye ta to take ekbaro bolte parto je, tomake amar bhalo lagena . . . . . . . . . Keno se eirakom kaj korlo . . . . .


Ei bhabe anek din kete gelo . . . . ,
Kintu cheleta ebar ar meyetar katha bhebe anondo peto na karon ebar cheleta sotti sottiy meyetar proti series hote chaichilo, tai se protidin meyeta jakhon school a jeto takhon meyetar pechon pechon school a chole jeto, kintu tate meyeta prochondo rege jeto, ar cheletar dike kemon ekta ghrinar chokhe takato, meye tar sei babohare cheleta kintu hriday theke dukkho peto ar kante kante bari chole asto . . . . . . . ,
Ei bhabei aro anek din kete gelo . . . . . . . Ebar to cheleta meye take ar dekhtei pai na . . . . . . . . Na face 2 face, na swapne . . . . . , . . , . . . chele take ekhono sei sakal theke sondhe obdi kaj korte hai . . . . . . . . .


Aro aneeekkk din kete gelo cheleta ekhono meyetake jakkhoni dekhe or hriday jore jore dhuk puk dhuk puk kare, na bhaye ? na lajjai ? Na confused hoye ? Na khusite ekhono se kichui bujhte parena, ar se ekhono khub khusi hai,
ar ekhono jakkhoni se meye take dekhe sei ek bhabei dekhtei thake, ar takkhoni meye ta mukhta kemon kare ar chole jai,


(Cheleta eta bhalo bhabe jane je meyeta oke ektukuo pachondo - o karena ar bhalo - o basena tao cheleta sudhui oi meye takei bhabe prottekta samoi, ar cheleta erakom bhabe je meyeta oke ghrina korle o se kintu meye take ektukuo ghrina korte parbena karon o sudhui oi meye takei bhalo besechilo oi meyetai tar jiboner prothom prem chilo)





A VERY SAD LOVE STORY


Friends aj tomader ekta sad love story sunate chai..... And ei story ta puro sotti ghotona. Jodi story ta valo lage tahole plz comment korbe.....

Ekta chele chilo tar nam ******* ! Se ekhon class 12 e utheche. Arts er student, porasona te khub ekta valona, tar bari te sudhu maa ache baba 7 year holo heartattack kore mara geche. Tar ekta dada ache se system engineer, infosys e job kore. Khub e happy family but cheleta khub e unhappy. Take keu e like korena sobai take sob somoy boke.!.. Tar school e o temon kono valo friend nei. And se kono meyer sathe o kotha bolena. Se sob somoy Facebook niye pore thake karon o fb niye thaklei ekmatro happy thake. Jai hok asol kothay asa jak..... 
Chele ta choto bela thekei vabto je se kono meye ke love korbena. But se seta parlona karon se jokhon 10th e uthlo tokhon ekta meyeke khub pochondo hoye gechilo. Tar nam tanusri, but chele ta meye take kokhono valobasar kotha ta bolte pareni, cheleta sudhu e meye take dekhto. R ekdin meye ta bujte pere na kore dei .Ei karone chele ta 3 din kichu o khai ni sudhu kede che r kedeche, but se mon ke shanto kore . 6 month por abar ekta meye ke like kore. Meye ta now 10 e pore. mwyetar nam naina, Meye ta tokho 8 e porto, meye take chele tar khub pochondo hoye gechilo. But e ke o kotha ta bolte pareni bt ekdin jante parlo je meyetar bf ache, ei kotha sune cheletar puro mon ta venge jay. But se mon ke shokto kore and vabe je r kau ke love korbena. But abar se ekta meye ke like kore and take o kotha ta bolte pareni. ei guli valobahsa na just valo laga, tar por cheleta fb kora shuru kore and than se onek meye bondhu pay but kichu din por sei fnd ra chele take chere chole jay!!!! Tar por cheleta onek meye ke fb te I love you bole but keu e accept koreni and but march,2014 e mouli name ekta meye ke valobase kintu meyeta valobasar name cholona kore jay and cheleta tate khub kosto pay,r tar por se tar life er original jibon songi ke khuje pay , apeil,2014 e ekta meye ke sotti e love korlo and meye ta o chele take khub valobaslo. Meye tar sathe roj e chat e kotha hoy onek ta somoy dhore ph e kotha hoto. meyeta tar jiboner theke o besi valobase meyetake, Bt ekdin ekta jhor ese sob e venge gelo. Meyetar bari te tader relations er bepare sob e jene gelo and tar por meye tar maa chele take r call korte baron Korlo and bollo je 3 year wait korte. Tai chele ta aj theke 3 year wait korche. tar por theke meyeta khub kadto and se didir bari chole jay and bon kadche dekhe didi bonke jiges kore je 

didi; bon kadchios keno?

bon; ami ******* er sathe kotha bolte chai,, r didi boner ei kosto dekhe or sathe kotha bolte mobile ta dei,,,, ei didi er jonnoi cheleta meye ta ke peyeche,,, jodi kono din o chele ta more jay tahole sobai khub khushi hobe. but meye ta khusi hobena karon meyeta cheletake khub valobase and meye ta chele take chara bachbena, Really chele ta khub e eka... Khub e unhappy and o puro pagol hoye jache!!!! but meye take peye ektu valo ache,,,,,, Plz friends oke ektu help koro and oke asirbad koro jate o valo vabe jibon japon korte pare,,,, jodi kichu bolar thake tahole plz comment e janabe......






দুগ্গা তোর দাম কতো

কয়েক কোটি টাকার গয়না পড়া দূর্গা ঠাকুর দেখতে গিয়েছিলাম। গরমে ঘেমে নেয়ে ঘন্টা তিনেক দাড়িয়ে দাড়িয়ে পায়ের দফারফা করে রাত বারোটা বেজে দশ মিনিটে ...